প্রশ্ন: সালাত পড়ার সময় বা ভালো কাজ করার সময় প্রায়ই আমার মনে আজেবাজে চিন্তা আসে। সালাতে মনোযোগ দেওয়ার জন্য যখন শব্দের অর্থের দিকে মন দিই, মনের মধ্যে খারাপ খারাপ চিন্তা আসে। সবকিছু নিয়ে আজেবাজে সব কুমন্ত্রণা আসে; এমনকি আল্লাহকে নিয়েও। এটা নিয়ে আমি খুবই হতাশ। নিজের উপর নিজেরই রাগ হয়। জানি, আল্লাহ ছাড়া আর কেউ অপরাধ মাফ করেন না। কিন্তু আমার এসব চিন্তাভাবনার কারণে মনে হয়, আল্লাহর ব্যাপারে আজেবাজে চিন্তার চেয়ে খারাপ কিছু বুঝি আর নেই। সালাত শেষে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই। কিন্তু এসব চিন্তা থামাতে পারি না বলে খুব খারাপ লাগে। এগুলোর কারণে আমার সালাতের আনন্দ নষ্ট হয়ে গেছে। মনে হচ্ছে আমি বরবাদ হয়ে যাচ্ছি। আমাকে একটু পরামর্শ দিন, শাইখ।
Showing posts with label সালাত. Show all posts
Showing posts with label সালাত. Show all posts
12 October 2018
13 January 2016
অভ্যাস গঠনের অ্যাপ
গতপোস্টে সফলতার মূলমন্ত্র হিসেবে অভ্যাস গঠন করার কথা বলেছিলাম। বলেছিলাম হ্যাবিট চেইন বা প্রতিদিন একটি কাজ নিয়মিত করার ধারা তৈরি করতে। সেজন্য ক্যালেন্ডারে লাল কালিতে ক্রস চিহ্ন দেওয়ার কথা বলেছিলাম। আর এজন্য প্রয়োজন একটি ক্যালেন্ডার ও মার্কার পেন।
তবে বর্তমান সময় স্মার্টফোনের যুগ। এখন স্মার্টফোনেই অনেক কিছু করা সম্ভব। অপ্রিয় হলেও সত্য, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে স্মার্টফোন আনস্মার্ট কাজে ব্যবহৃত হয়। তবে একটু ঘাঁটাঘাঁটি করলে ও সৃষ্টিশীল হলে স্মার্টফোন আসলেই স্মার্ট কাজে ব্যবহার করা যায়। আজকে স্মার্টফোনের এমনই এক স্মার্ট ব্যবহার নিয়ে কথা বলব।
তবে বর্তমান সময় স্মার্টফোনের যুগ। এখন স্মার্টফোনেই অনেক কিছু করা সম্ভব। অপ্রিয় হলেও সত্য, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে স্মার্টফোন আনস্মার্ট কাজে ব্যবহৃত হয়। তবে একটু ঘাঁটাঘাঁটি করলে ও সৃষ্টিশীল হলে স্মার্টফোন আসলেই স্মার্ট কাজে ব্যবহার করা যায়। আজকে স্মার্টফোনের এমনই এক স্মার্ট ব্যবহার নিয়ে কথা বলব।
Labels:
play store,
rewire,
অভ্যাস,
অ্যাপ,
আত্মউন্নয়ন,
নামাজ,
সালাত,
হ্যাবিট
19 January 2015
প্রেসক্রিপশন
প্রসব-পরবর্তী
চিকিৎসা হিসেবে অন্যান্য বেশ কিছু ওষুধের সঙ্গে ডাক্তার আমার স্ত্রীকে দুটো
এন্টিবায়োটিক ওষুধ দিয়েছেন। একটা আট ঘণ্টা পরপর, আরেকটা ছয় ঘণ্টা পরপর খেতে হচ্ছে।
আমরা ঠিক নিয়ম করেই ওষুধগুলো তাকে খাওয়াচ্ছি। এন্টিবায়োটিক ওষুধগুলো একটা
নির্দিষ্ট সময় পরপর না-খাওয়ালে কিছু সমস্যা হয়। একারণে আমরা এব্যাপারে বেশ সতর্ক।
যেহেতু ব্যাপারটা চিকিৎসা-সংক্রান্ত সেহেতু ডাক্তারের নির্দেশই এব্যাপারে
শিরোধার্য। কারণ, অসুখ-বিসুখ রোগব্যাধির ব্যাপারে তারাই সবচেয়ে ভালো জানবেন। তাই
কোনো ধরনের তর্ক-বিতর্ক, প্রশ্ন না করেই আমরা বিনা দ্বিধায় চিকিৎসা-সংক্রান্ত
ব্যাপারে ডাক্তারের আদেশ বাধ্য সন্তানের মতো পালন করে যাই।
মজার
ব্যাপার হচ্ছে শারীরিক অসুখের ব্যাপারে মানুষ যতটা নিয়মানুবর্তী, আধ্যাত্মিক
ব্যাপারে তারা ঠিক ততটাই উদাসীন। মানুষের মনেরও যে চিকিৎসা প্রয়োজন, ওষুধ প্রয়োজন
এবং যেক্ষেত্রে অবজ্ঞা পরকালীন অনন্ত জীবনে মানুষকে জাহান্নামের দ্বারপ্রান্তে
নিয়ে যাবে সে ব্যাপারে অধিকাংশ মানুষই বেখেয়াল।
Subscribe to:
Posts (Atom)