প্রসব-পরবর্তী
চিকিৎসা হিসেবে অন্যান্য বেশ কিছু ওষুধের সঙ্গে ডাক্তার আমার স্ত্রীকে দুটো
এন্টিবায়োটিক ওষুধ দিয়েছেন। একটা আট ঘণ্টা পরপর, আরেকটা ছয় ঘণ্টা পরপর খেতে হচ্ছে।
আমরা ঠিক নিয়ম করেই ওষুধগুলো তাকে খাওয়াচ্ছি। এন্টিবায়োটিক ওষুধগুলো একটা
নির্দিষ্ট সময় পরপর না-খাওয়ালে কিছু সমস্যা হয়। একারণে আমরা এব্যাপারে বেশ সতর্ক।
যেহেতু ব্যাপারটা চিকিৎসা-সংক্রান্ত সেহেতু ডাক্তারের নির্দেশই এব্যাপারে
শিরোধার্য। কারণ, অসুখ-বিসুখ রোগব্যাধির ব্যাপারে তারাই সবচেয়ে ভালো জানবেন। তাই
কোনো ধরনের তর্ক-বিতর্ক, প্রশ্ন না করেই আমরা বিনা দ্বিধায় চিকিৎসা-সংক্রান্ত
ব্যাপারে ডাক্তারের আদেশ বাধ্য সন্তানের মতো পালন করে যাই।
মজার
ব্যাপার হচ্ছে শারীরিক অসুখের ব্যাপারে মানুষ যতটা নিয়মানুবর্তী, আধ্যাত্মিক
ব্যাপারে তারা ঠিক ততটাই উদাসীন। মানুষের মনেরও যে চিকিৎসা প্রয়োজন, ওষুধ প্রয়োজন
এবং যেক্ষেত্রে অবজ্ঞা পরকালীন অনন্ত জীবনে মানুষকে জাহান্নামের দ্বারপ্রান্তে
নিয়ে যাবে সে ব্যাপারে অধিকাংশ মানুষই বেখেয়াল।